লাইলাতুল কদরের দোয়া । কদরের নামাজের নিয়ম জেনে নিন

প্রিয় পাঠক, স্বাগত আমাদের আজকের পোস্ট “লাইলাতুল কদরের দোয়া ও কদরের নামাজের নিয়ম” এ। আজকের পোস্টটি একজন মুসলমানের জন্য অত্যন্ত জরুরি। কারণ আজকের পোষ্টে কদরের নামাজের নিয়ম থেকে শুরু করে সব বিষয়ে উল্লেখ থাকবে।

পবিত্র কোরআন নাজিলের মাস মাহে রমজান। আর মাহে রমজানের শবে কদরের রাতে কোরআন নাজিল হয়েছে। বলা হয়েছে যে, হাজার মাসের ইবাদতের চেয়ে লাইলাতুল কদরের রাতের ইবাদত উত্তম।

আজকের পোষ্টে আমরা দুইটি ভাগে কদর সম্পর্কে জানবো।

প্রথম ভাগে আমরা জানবো, লাইলাতুল কদরের দোয়া, লাইলাতুল কদর সম্পর্কে হাদিস, শবে কদরের ফজিলত সম্পর্কে।

এবং দ্বিতীয় ভাগে জানবো, কদরের নামাজের নিয়ম, লাইলাতুল কদরের নামাজের নিয়ত, কদরের নামাজের নিয়ম কানুন অর্থাৎ, লাইলাতুল কদরের নামাজ কিভাবে পড়বো সেই বিষয়ে বিস্তারিত সকল তথ্য। চলুন মূল পোষ্টে চলে যাওয়া যাক।

লাইলাতুল কদর সম্পর্কে হাদিস

হাজার রাতের ইবাদতের চেয়ে উত্তম এই রাত। কারণ রমজান মাসের লাইলাতুল কদরের এই রাতে আল্লাহ পবিত্র কোরআন নাজিল করেন।

কদর শব্দের অর্থ হচ্ছে ভাগ্য। লাইলাতুল কদরকে ভাগ্য নির্ধারণের রাত বলা হয়। এই রাতে আল্লাহ তার যে বান্দার প্রতি সন্তুষ্ট হয় তার পরবর্তী রমজানের কদরের রাত পর্যন্ত ভাগ্য পরিবর্তন করে ভালো কিছু দিয়ে থাকেন যা বান্দার জন্য মঙ্গল জনক।

আরও পড়ুনঃ  তারাবির নামাজের মোনাজাত বাংলা অর্থ সহ ( চার রাকাতের দোয়া সহ)

আল্লাহ পবিত্র কোরআন নাজিল সম্পর্কে বলেন,

“নিশ্চয়ই আমি (আল্লাহ) কোরআন নাজিল করেছি লাইলাতুল কদরের রাতে। লাইলাতুল কদর কী আপনি কি জানেন? লাইলাতুল কদর হচ্ছে হাজার মাসের চেয়েও উত্তম”। (সুরা কদর এর আয়াত নাম্বার ১ থেকে ৩)

এ সম্পর্কে বিভিন্ন হাদিস এবং আলেমদের মতে, শবে কদরের রাতে আল্লাহ তার বান্দাদের প্রতি বিশেষ নজর দেয়।

এই রাতে আল্লাহ প্রথম আসমানে এসে তার বান্দাদের উদ্দেশ্য করে বলেন,

“তোমাদের কার কি দরকার? ক্ষমা লাগবে? আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও। আমি তোমাদের ক্ষমা করে দিবো”। – (কোরআন)

শবে কদরের ফজিলত অনেক অনেক বেশী। হাজার মাস ইবাদত করলে যে সাওয়াব পাওয়া যায় সেই একই সাওয়াব পাওয়া যায় একটি রাতে ইবাদত করে।

তাই এই রাতে বেশী বেশী ইবাদত করা, আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও করুণা চাওয়া অত্যন্ত জরুরি।

আরও পড়ুনঃ সূরা তারাবি পড়ার নিয়ম । সূরা তারাবির নামাজের নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত

শবে কদর বা লাইলাতুল কদর হচ্ছে আল্লাহর কাছে ক্ষমা, অনুগ্রহ, রহমত চাওয়ার সময়। এজন্য কোরআন হাদিসে অসংখ্য দোয়া আছে।

লাইলাতুল কদরের এমন নির্দিষ্ট কোনও দোয়ার কথা বলা হয়নি। আপনি যেকোনো দোয়া করতে পারবেন।

তবুও নিচে বেশ কয়েকটি দোয়া উচ্চারণ ও বাংলা অর্থ সহ দেখে নিচ্ছি।

আশা করছি এই দোয়াগুলো খুব অল্পতে আপনারা মনে রাখতে পারবেন।

লাইলাতুল কদরের দোয়া । শবে কদরের দোয়া

নবীজি মুহাম্মদ (সাঃ) বলেন, তুমি যদি জানতে পার যে আজ শবে কদর তাহলে নিচের দোয়াটি পড়বে।

আরও পড়ুনঃ লাইলাতুল কদরের দোয়া । শবে কদরের আমল সমূহ

শবে কদরের দোয়াঃ    اللَّهمَّ إنَّك.. عفُوٌّ كريمٌ تُحِبُّ العفْوَ،.. فاعْفُ عنِّ.ي

শবে কদরের দোয়া বাংলা উচ্চারণঃ আল্লহুম্মা ইন নাকা আ-ফুউন করিম। তুহিব্বুল আফওয়ান, ফা-ফু আন্ন।

লাইলাতুল কদর দোয়া বাংলায়ঃ “হে আল্লাহ তায়লা, আপনি অত্যন্ত মহানুভব ও অত্যন্ত ক্ষমাশীল। হে আল্লাহ, আপনি ক্ষমা করতে ভীষণ পছন্দ করেন। সেই ওছিলায় আমায় আপনি ক্ষমা করে দিন”। (তিরমিজির হাদিস  নাম্বার ৩৫১৩ থেকে নেওয়া)

ক্ষমা প্রার্থনার দোয়াঃ رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَأَنْتَ خَيْرُ الرَّاحِمِيْنَ

ক্ষমা প্রার্থনার দোয়া বাংলা উচ্চারনঃ “রব্বিগ-ফিরয়ারহাম, ওয়া আংতা খই রুররাহি মিন”।

আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়ার দোয়া বাংলায়ঃ “হে আমার দয়ালু মহান আল্লাহ তায়লা, আমাকে আপনি ক্ষমা করে দিন এবং আমার উপর একমাত্র আপনার রহমত নাজিল করুন। আপনিই একমাত্র অদ্বিতীয় সর্বশ্রেষ্ঠ রহমকারী”। -(সুরা মুমিনুন এর আয়াত নাম্বার ১১৮)

শবে কদরে ক্ষমা চাওয়ার দোয়াঃ رَبَّنَا آمَنَّا- فَاغْفِرْ لَنَا.. وَارْحَمْنَا وَأَنتَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ

শবে কদরে ক্ষমা চাওয়ার দোয়া আরবি উচ্চারণঃ “রব্বানা আমা-ন্না ফাগ-ফির-লানা ওয়ার হামনা ওয়াআংতা খইরুর রহি মিন”।

বাংলায় শবে কদরে ক্ষমা চাওয়ার দোয়াঃ হে আমাদের অত্যন্ত দয়ালু আল্লাহ, আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি আপনার উপর। এই ওছিলায় আপনি আমাদের ক্ষমা করে দিন। এবং আমাদের প্রতি আপনার খাজ রহতম দান করুন। হে আল্লাহ, আপনি তো দয়ালুদের মধ্যে একমাত্র শ্রেষ্ঠ দয়ালু। -(সুরা মুমিনুন  এর আয়াত নাম্বার ১০৯ থেকে)

কদরের রাতের দোয়া আরবিতেঃ رَبِّ إِنِّيْ- ظَلَمْتُ نَفْسِيْ. فَاغْفِرْ لِيْ

কদরের দোয়া আরবি উচ্চারনঃ “রব্বি ইন্নি জ্বলামতু – নাফসি ফাগ- ফিরলি”।

শবে কদরের রাতের দোয়া বাংলায়ঃ হে আমার দয়ালু পরম করুণাময় আল্লাহ তায়লা,  আমার জানতে আমি নিজের উপর নিজেই অনেক অনেক অনেক আমি জুলুম করে ফেলেছি। আপনি এই দোয়ার ওছিলায় বা কোনও ওছিলা ছাড়াই আমাকে মাফ করে দিন”। -(সুরা কাসাস এর ১৬ নাম্বার আয়াত থেকে নেওয়া)

কদরের রাতের দোয়া নিয়ে বিশেষ কথা

মূল কথা হচ্ছে, শবে কদর বা লাইলাতুল কদরের জন্য স্পেশাল কোনও দোয়া করতে বলা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে আল্লাহর কাছে দোয়া চাইতে।

আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে। তাই উপরের দোয়াগুলি থেকেই যে আপনার কদরের রাতে দোয়া করতে হবে একদম তা নয়।

এই দোয়াটি লাইলাতুল কদরে পড়া উত্তম। তবে আপনি যেকোনো দোয়া পড়তে পারেন। শবে কদর বা লাইলাতুল কদরে দোয়া পড়া নিয়ে নির্দিষ্ট কোনও দোয়া পড়তে কিছু বলা হয়নি।

এই দোয়াটি আপনি ক্ষমা পাওয়ার জন্য সবসময় নাজাতের সব দিনে পড়তে পারেন।

এছাড়াও ক্ষমা চাওয়ার জন্য হাজার দোয়া আছে। এর মধ্যে কয়েকটি দোয়া নিচে উল্লেখ করে দেওয়া হলও।

আপনি এই সব দোয়া বা যেকোনো দোয়া গুনাহ মাফের জন্য করুণা লাভের জন্য আল্লাহর দরবার এই দোয়াগুলি করতে পারেন।

আপনি চাইলেই যেকোনো দোয়া বা নফল ইবাদতের মধ্য দিয়ে লাইলাতুল কদরে আল্লাহ কাছে দোয়া, অনুগ্রহ, করুণা, রহমত চাইতে পারেন।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে পালন করার তৌফিক  দিন।

শবে কদরের নামাজের নিয়ত । লাইলাতুল কদরের নিয়ত

শবে কদরের নামাজ দুই রাকাত করে ১২ রাকাত পড়া অতি উত্তম। তবে আপনি এর থেকে যত বেশী পরবেন তত সাওয়াব পাবেন।

প্রিয় পাঠক, নামাজের মাধ্যমে একমাত্র আল্লাহর খুব কাছাকাছি যাওয়া যায়। তাই শবে কদরে আমরা অনেক বেশী নফল নামাজ পড়ে থাকি।

কারণ, আমরা যখন নামাজে সিজদাহ করি তখন মনে করা হয় আল্লাহর পায়ে সিজদাহ করছি।

এই সিজদাহ এর মাধ্যমে আমরা আল্লাহর খুব কাছে যেতে পারি।

কিন্তু আমরা শবে কদরের রাতে যে নফল নামাজ আদায় করি এই নামাজের জন্যেও আলাদা কোনও নিয়ত করতে হয় না।

এর কারণ, আমরা যখন নামাজের জন্য দাড়াই তখনই নামাজের নিয়তেই দাড়াই।

আলেমদের মতে, নিয়ত হচ্ছে মনের ভিতরের বিষয়। মুখে উচ্চারণের বিষয় না।

তাই আপনাকে শবে কদরের নামাজের নিয়ত করার জন্য মুখে কিছু উচ্চারণ করতে হবে না।

আরও পড়ুনঃ  রোজার নিয়ত ও ইফতারের দোয়া বাংলা । রোজার দোয়া

তারপরেও আপনি যদি চান শবে কদরের নামাজের নিয়ত করবেন তাহলে নিচ থেকে দেখে নিন।

তবে নিয়ত না করলেও হবে। নিচে উল্লেখিত নিয়তটি শবে কদরের নামাজের নিয়ত হিসেবে অনেক বেশী পরিচিত।

শবে কদরের নামাজের নিয়ত আরবিতে বাংলা উচ্চারণঃ নাওয়াই তু-আ-ন উছ ল্লিয়া লিল্লা-হি তায়আলা, রাকআতি ছালাতিল লাইলাতুল কদর নফলি, মুতাওয়াজ্জিহান ইলা-জিহাতিল কা‘বাতিশ শরীফাতি আল্লাহু – আকবার”।

শবে কদরের নামাজের নিয়ত বাংলায়ঃ “ হে আল্লাহ, আমি কেবলামুখি হয়ে শবে কদরের দুই রাকাত নফল নামাজ আদায়ের নিয়ত করছি, আল্লাহু আকবার”।

আপনি শবে কদরের নামাজের নিয়ত করতে চাইলে উপরের নিয়তটি করতে পারেন।

এই নিয়ত বাংলায় ও আরবিতে উভয়ভাবে করা যাবে। এতে নামাজ হবে।

কদরের নামাজের নিয়ম । লাইলাতুল কদরের নামাজ কিভাবে পড়বো

প্রিয় পাঠক, আমরা অনেকে কদরের নামাজের নিয়ম জানতে চাই। এর কারণ আমরা অনেকে জানি না যে লাইলাতুল কদরের নামাজ কিভাবে পড়বো।

চলুন জেনে নেওয়া যাক কদরের নামাজের নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত।

কদরের নামাজের নির্দিষ্ট কোনও সীমা নেই। তবে দুই রাকাত করে ১২ রাকাত নামাজ পড়ার উত্তম। এর থেকে কম বা বেশী পড়লেও কোনও অসুবিধা নেই।

নামাজে দাড়িয়ে তাকবীর দিয়ে হাত বাধবেন। এরপর ছানা পড়বেন। এর পর সূরা ফাতিহার সাথে মিলিয়ে অন্য একটি সূরা পড়বেন। এরপর রুকু সিজদাহ করবেন।

দুই সিজদাহ শেষে দ্বিতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়াবেন। বিসমিল্লাহ পড়ে আবার সূরা ফাতিহার সাথে অন্য একটি সূরা মিলিয়ে পড়বেন। এরপর রুকু সিজদাহ করবেন আগের নিয়মেই।

আরও পড়ুনঃ তারাবি নামাজের নিয়ত । তারাবির নামাজের নিয়ম কানুন জেনে নিন

এরপর শেষ বৈঠকে বসবেন। শেষ বৈঠকে তাশাহুদ, দরুদ এবং দোয়া মাসুরা পড়বেন।

এরপর ক্ষমার উদ্দেশ্যে দোয়া মাসুরা শেষে উপরে উল্লেখিত যেকোনো এক বা একাধিক দোয়া পড়তে পারেন।

মোট কথা আপনি লাইলাতুল কদরের দোয়া হিসেবে যেকোনো দোয়া এখানেও পড়তে পারেন।

এরপর সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করবেন। এভাবে দুই রাকাত করে সরবনিম্ম ১২ রাকাত নফল নামাজ কদরের নামাজ হিসেবে পড়বেন।

আপনি চাইলে এর থেকেও বেশী পড়তে পারেন।তাতে বেশী সাওয়াব পাবেন।

প্রিয় পাঠক, লাইলাতুল কদরের নামাজের নিয়ম অর্থাৎ লাইলাতুল কদরের নামাজ কিভাবে পড়বো এই বিষয়ে সম্পূর্ণ আলাদা একটি পোস্ট আছে আমাদের।

আপনি সেই পোস্টটি পড়লে লাইলাতুল কদরের নামাজের নিয়ম, লাইলাতুল কদরের নামাজ কিভাবে পড়বো সেই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন আরও সুন্দর ভাবে।

লাইলাতুল কদরের নামাজের নিয়ম সম্পর্কিত আমাদের পোস্টটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কদরের নামাজে লক্ষণীয় কিছু বিষয়

অন্য সকল নামাজের মতো এই নামাজেও তাড়াহুড়া করা যাবে না। শব্দহীন ভাবে নামাজ পড়বেন। যতটা সম্ভব বড়  বড় সূরা দিয়ে নামাজগুলো পড়ার চেষ্টা করবেন।

প্রত্যেক দুই রাকাত শেষে বসে তাওবা পড়বেন অন্যান্য দোয়া পড়বেন। উপরে উল্লেখিত লাইলাতুল কদরের দোয়া পড়বেন।

আর লাইলাতুল কদরের নামাজের নিয়ত করার কোনও দরকার নেই। কারণ নামাজের নিয়ত মুখে উচ্চারণ করার কোনও প্রয়োজন নেই।

আমি ২০০ রাকাত শবে কদরের নামাজ আদায় করছি, আমি ৫০০ রাকাত লাইলাতুল কদরের নামাজ আদায় করছি এটা মানুষকে বলার জন্য ভুলেও নামাজ পড়া যাবে না। মনে রাখবেন ইবাদত নিজের ব্যক্তিগত।

আরও পড়ুনঃ  রোজা ভঙ্গের কারণ কয়টি ও কি কি । কি কি কারণে রোজা মাকরুহ হয়

ইবাদত আল্লাহকে খুশিকরার জন্য। ইবাদত নিজের মাফ করানোর জন্য। লোক দেখানোর জন্য নয়। নামাজ কম পড়লেও আপনি যদি নিয়ম অনুযায়ী পড়েন, নামাজের মধ্যে চোখ থেকে অশ্রু গড়িয়ে পড়ে আপনার করা গুনাহের কথা মনে করে তাহলে আল্লাহ নিশ্চয়ই কবুল করে নিবেন, ইনশাআল্লাহ।

আর কদরের রাতে আমরা সবাই চাই, আল্লাহ আমাদের দোয়া, আমাদের আর্তনাদ করে তার করুণা চাওয়া আমলে নিয়ে আমাদের মাফ করে দিক। নিশ্চয়ই আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে জানার এবং আমল করার তৌফিক দিন, আমিন।

লাইলাতুল কদর সম্পর্কিত FAQS

শবে কদরের নামাজ কত রাকাত পড়তে হয়?

শবে কদরের নামাজ পড়ার নির্দিষ্ট কোনও পরিমাণ নেই। তবে, সর্বনিম্ন ১২ রাকাত পড়া উত্তম।

লাইলাতুল কদর সূরা -র ফজিলত ও গুরুত্ব কি?

লাইলাতুল কদর সূরা -র গুরুত্ব ও ফজিলত জানতে এখানে ক্লিক করুন

শবে কদর রাত চেনার উপায় কি?

সকল হাদিস বিশ্লেষণ করে সহিহ মুসলিমে এসেছে যে ২৭ তম তারাবির দিন ই শবে কদর হয়।
অর্থাৎ ২৬ রোজার ইফতারির পড়েই ২৭ শে কদরের নামাজ।

লাইলাতুল কদরের নামাজ কিভাবে পড়বো ? সঠিক নিম কি লাইলাতুল কদরের নামাজ পড়ার?

লাইলাতুল কদরের নামাজ পড়ার নিয়ম এই পোষ্টে আছে। এছাড়াও এই পোষ্টে অন্য একটি পোষ্টের লিংক আছে যেখান থেকে লাইলাতুল কদরের নামাজের নিয়ম জানতে পারবেন।

সূরা লাইলাতুল কদর অর্থ কি?

ভাগ্য রজনীর রাত। অর্থাৎ এই রাতে ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে থাকে।

লাইলাতুল কদর কবে ২০২৩?

লাইলাতুল কদর ২০২৩ হচ্ছে ২৬ রমজানে। মূলত রমজানের শেষ দশ রোজার মধ্যে বিজোড় রাতই শবে কদর ধরে ইবাদত করা উচিত।
তবে সম্ভাব্য শবে কদর হয়ে থাকে ২৭ শে তারাবির দিন রাতে।

লাইলাতুল কদরের দোয়া ও নামাজ নিয়ে সর্বশেষ

প্রিয় পাঠক, আজকের পোষ্টে আমরা লাইলাতুল কদরের দোয়া, কদরের নামাজের নিয়ম, শবে কদরের নামাজের নিয়ত সহ কদ্র সম্পর্কিত সকল বিষয়ে জেনেছি।

আরও পড়ুনঃ  নামাজের নিষিদ্ধ সময় সমূহ জেনে নিন (হাদিসের আলোকে)

আশা করছি আজকের পোস্ট “লাইলাতুল কদরের দোয়া ও কদরের নামাজের নিয়ম” থেকে শবে কদর, কদরের নামাজ সম্পর্কিত অসকল বিষয় জানতে পেরেছি।

এরপরেই এই বিষয়ের কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করে জানান।

ইসলাম ও রমজান সম্পর্কিত অন্যান্য সকল বিষয়ে জানতে আমাদের ইসলামিক ক্যাটাগরিতে ভিজিট করুন।

নিয়মিত সকল পোস্ট পড়তে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। সর্বশেষ আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ Dainikkantha এ।

3 thoughts on “লাইলাতুল কদরের দোয়া । কদরের নামাজের নিয়ম জেনে নিন”

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.